উপক্রমণিকা
২০০৫ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে জার্মানীতে নতুন অভিবাসন আইন চালু হয়৷এই আইন
আবাসন, চাকুরী এবং অভিভাসন নীতির একটি সমন্বিত আইন। আবাসনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী
পূর্বতন আবাসন অধিকার, স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদী আবাসন অনুমতি এবং স্থায়ী
অভিবাসন- এই তিন ভাগ থেকে দুই ভাগ যথা অস্থায়ী এবং স্থায়ী আবাসনে বিভক্ত করা
হয়েছে৷
বর্তমান নিয়মে বিভাজনের চেয়ে কারণের (প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, চাকুরী,
পরিবারের সদস্যদের আগমন, মানবিক কারণসমূহঃ ইত্যাদি) উপর অধিকতর গুরুত্ত্ব
দেয়া হয়েছে৷
এখন থেকে জার্মান কর্তৃপক্ষ জার্মানীতে বসবাসরতঃ বিদেশীদের অর্থনৈতিক,
সামাজিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে জার্মানীতে একত্রীকরণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপসমূহ
নিয়ে কাজ করবে৷ জার্মান সমাজে একত্রীকরণে সহায়তার জন্য একত্রীকরণ সহায়ক বিশেষ
পাঠদান করা হবে৷নিম্নলিখিত
পর্যালোচনা বিদেশীদের আইনগত নীতিমালা বিষয়ক হলেও কোন অবস্থাতেই এটা অভিবাসন
বিষয়ক দপ্তরে ব্যক্তিগত পরামর্শের সম্পুরক নয়৷
বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট শহরের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ বাঞ্ছনীয়৷
বাধ্যতামূলক
নিবন্ধীকরণ
উপরোল্লিখিত নিয়ম ছাড়াও বিদেশীদেরকে সংশ্লিষ্ট শহরে যে সব নিবন্ধীকরণ
জার্মানদেরকেও করতে হয়, সেগুলো করতে হবে| একইভাবে, কোন নতুন স্থানে গমনের এক
সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নিবন্ধন করতে হবে৷
আয়কর
কার্ড
যদি কেউ তার পড়াশুনাকালীন সময়ে কাজ করে, তবে তাকে তার চাকুরীদাতাকে তার নামের
ইস্যুকৃত আয়কর কার্ড জমা দিতে হবে| এই কার্ড স্থানীয় শহরের সংশ্লিষ্ট দপ্তর
থেকে ইস্যু হয়৷
ছাত্র
এবং অতিথি শিক্ষাজীবিদের আবাসন অধিকার
জার্মানীতে বসবাস করতে হলে জার্মানীতে প্রবেশের ৩ মাসের মধ্যে কিংবা ভিসার
মেয়াদ উত্তীর্ণের আগেই ছাত্র এবং অতিথি শিক্ষাজীবিদেরকে আবাসন অনুমতি পাওয়ার
আবেদন করতে হয়৷
আবাসন অনুমতি তখনই কেউ পাবে যখন সে কোম স্নাতক পর্যায়ের কোন বিষয়ে পড়াশুনার
আবেদন করে, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অথবা সমপর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যেই
পড়াশুনারত কিংবা কোন অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনার প্রস্তুতি নিচ্ছে৷শেষোক্ত
ক্ষেত্রে প্রথম আবাসনের অনুমতি ২ বছরের অধিক মঞ্জুর হবেনা৷যদি কেউ পড়াশুনা
শুরু করে, তবে সে প্রথমে সর্বোচ্চ ২ বছরের আবাসন অনুমতি পাবে এবং যদি এই
সময়ের মধ্যে শিক্ষা শেষ না হয়, তবে সর্বোচ্চ আরো ২ বছরের বর্ধিত অনুমতি পাবে
যদি এই সময়ের মধ্যে তা শেষ হবে বলে আশা করা যায়। সাধারণ নিয়মে এই শিক্ষাকাল
১০ বছরের বেশী হতে পারবেনা৷যারা জার্মানীতে এসেছে অথচ কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি
হতে পারেনি,তাদেরকে সর্বোচ্চ ৯ মাসের আবাসন অনুমতি দেয়া হয়৷আবাসনের
সময়সীমা অতিথি শিক্ষাজীবিদের ক্ষেত্রে তাদের উদ্দেশ্যর উপর নির্ভর করে বিধায়
এই অনুমতি ক্ষেত্র থেকে ক্ষেত্র ভিন্নতর হয়৷
কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশী আবাসন বিষয়ক অধিদপ্তরের সাথে একযোগে কাজ করে
থাকে৷নিবন্ধনের সময় অনেক ক্ষেত্রেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিক বা শিক্ষকেরাই
সাহায্য করে থাকেন৷সেমেষ্টারের শুরুতে বিদেশী ছাত্রদের সাহায্য দানে কোন কোন
দপ্তর নিয়মিত ভাবে খোলা থাকে৷এই
বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক দপ্তরে যোগাযোগ বেশ ফলপ্রসু৷
আবাসন অনুমতি পেতে নিম্নলিখিত দলিল সমূহের প্রয়োজন হয়ঃ
-
আবেদন পত্র (বর্ধিতকরণের ক্ষেত্রে আবেদনের নির্ধারিত ফরম সংশ্লিষ্ট দপ্তরে
পাওয়া যায়)
-
বৈধ পাসপোর্ট
-
ছবি (প্রথমবার আবেদনের জন্য)
-
বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবন্ধনের প্রমাণপত্র
-
স্বাস্থ্যবীমার প্রমাণপত্র
-
পড়াশুনার খরচ চালানোর উৎসের প্রমাণপত্র
-
অতিথি শিক্ষাজীবিদের চাকুরীর চুক্তির প্রমাণপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়)
ফিঃ
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র/অতিথি শিক্ষাজীবিঃ কোন ফি নেই
অন্যান্যঃ প্রথমবার-৫০-৬০
€;
দ্বিতীয়বার-৩০
€
যে সমস্ত ছাত্রদেরকে জার্মান ভাষার দক্ষতা প্রমাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে
পরীক্ষা দিতে হবে তাদেরকে এই পরীক্ষায় পাশ করা অবধি নিবন্ধনের প্রয়োজন
নেই৷তবে এর সর্বোচ্চ সীমা ৩ মাস বা ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণের
আগ পর্যন্ত৷
পড়াশুনার
খরচের মাধ্যম
সাধারণ নিয়মে আবাসনের অনুমতি পেতে পড়াশুনার এবং স্বাস্থ্যবীমার খরচ চালানোর
উৎসের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হয়৷এই বিচারে একজন ছাত্রকে মাসে ন্যূনতম ৫৮৫
€
খরচ করতে পারার মত সামর্থ্য থাকতে হবে৷যদি কারো বাসস্থানের
ভাড়া ১৩৩ € এর নিচে হয় তবে মোট
পরিমাণ ৬৪ € কমে যায়৷ সাধারণতঃ
সংশ্লিষ্ট দপ্তর মোট শিক্ষাকালীন সময়ের (১ অথবা ২ বছর) জন্য এই হারে খরচ
চালানোর সামর্থ্যের প্রমাণপত্র দাখিল করতে বলে থাকে৷
নিম্নলিখিত যে কোন প্রমাণপত্র দাখিলপূর্বক এই সামর্থ্য প্রমাণ করা যাবেঃ
-
পিতা-মাতার আর্থিক আয়ের প্রমাণপত্র
-
জার্মান আবাসনের ৬৮ ধারার সংগতির প্রমাণপত্র
-
জার্মান সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বৃত্তির প্রমাণপত্র
-
জার্মানীতে স্বীকৃত অন্য কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত বৃত্তির প্রমাণপত্র
-
নিজ দেশের সরকার,
DAAD
অথবা অন্যান্য
জার্মান প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত বৃত্তির প্রমাণপত্র
পিতা-মাতা, ভাইবোন অথবা তৃতীয় কোন ব্যক্তি কর্তৃক জার্মান আবাসনের ৬৮ ধারার
সংগতির প্রমাণপত্র নিজ দেশে জার্মান দূতাবাস অথবা জার্মানীতে সংশ্লিষ্ট
দপ্তরে পেশ করা যাবে৷
এরা
নিজেদের সামর্থ প্রমাণপূর্বক আবেদনকারীর খরচ চালানোর নিশ্চয়তা প্রদান করার
জন্য Guarantor
হয়ে থাকে৷
বিশেষ কিছু কিছু ক্ষেত্রে
Bank
Statement, Blocked Account করে
Security Payment অথবা ব্যাংক
কর্তৃক নিশ্চয়তা পাওয়ার সাপেক্ষে আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণ করা যেতে পারে৷
স্বাস্থ্যবীমা
আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণের মধ্যে স্বাস্থ্যবীমার খরচও অন্তর্ভুক্ত৷বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
স্বাস্থ্যবীমা ছাড়া ভর্তির অনুমতি প্রদান করেনা৷এই
বীমা জার্মান আইনের সাথে সংগতিপূর্ণ হতে হবে৷তাই,
জার্মানীতেই এই বীমা করা বাঞ্ছনীয়৷বয়স ৩০ বছরের বেশী
হলে তাকে ছাত্রকালীন হারের চেয়ে বেশী হারে বীমার অর্থ প্রদান করতে হবে৷
এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে
সহায়তা চাওয়া যেতে পারে৷তবে,
নিরপেক্ষতার স্বার্থে এই দপ্তর কোন বিশেষ বীমাকোম্পানীর নাম উল্লেখ করেনা,
বরং শুধুমাত্র আনুষঙ্গিক উপদেশ দিয়ে থাকে মাত্র৷
যেসব দেশের সাথে
(বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, ম্যাসেডোনিয়া, সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রো,
তিউনিসিয়া, তুর্কী) জার্মানীর স্বাস্থ্যবীমার চুক্তি আছে, সেসব
ছাত্র-ছাত্রীদের শুধুমাত্র নতুন ইউরোপিও স্বাস্থ্যবীমা কার্ড নিতে হবে অথবা
স্বীয় দেশের স্বাস্থ্যবীমার প্রমাণপত্র পেশ করতে হবে৷
পড়াশুনাকালীন
আমি কি চাকুরী করতে পারব?
নতুন আবাসন আইন চালুর পর থেকে
Arbeitsamt
(Employment Agency)
প্রদত্ত পুরাতন কাজের অনুমতি রহিত করা হয়েছে৷এখন
থেকে আবাসন অনুমতিতে উল্লিখিত তথ্য থেকে দেখতে হবে কারো কাজের অনুমতি আছে
কিনা এবং থাকলে কতদিনের৷ কাজেই কাজ শুরু করার পূর্বেই
দেখে নিতে হবে আদতেই কাজের অনুমতি আছে কিনা৷ যদি না
থেকে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাজের অনিমতির জন্য আবেদন করতে হবে৷
পড়াশুনার জন্য আবাসন অনুমতি
কাউকে ৯০ দিন পূর্ণ অথবা ১৮০ অর্ধ-দিবস ছুটিকালীন কাজের অথবা
Student
Jobs করার অনুমতি প্রদান করে থাকে৷
পূর্ণ এবং অর্ধ-দিবস মিলিয়ে কেউ কাজ করতে পারে (উদাহরণস্বরূপ ৩৫ পূর্ণদিবস
এবং ১১০ অর্ধ-দিবস)৷ ছুটিকালীন চাকুরী সেমেস্টার
চলাকালীন কিংবা ছুটির সময়- এই দুই সময়েই করা যাবে৷
যে কয়েক দিন কাজ করা হবে, শুধুমাত্র সেই কয়েকদিনই কাজ হয়েছে বলে ধরা হবে৷
যথাযথ কাগজপত্রে কাজের ঘন্টাসমূহ লিপিবদ্ধ করতে হবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করলে
এই ঘন্টাসমূহ গণনা করা হবেনা৷
ইন্টার্নশিপ যদি মূল বিষয়ের অবিছেদ্য
অংশ কিংবা ডিগ্রী পাওয়ার জন্য দরকারী হয়, তাহলে তা করা যাবে৷
তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি লাগবে৷ এই
ঘণ্টা সমূহও গণনা করা হবেনা৷
দীর্ঘমেয়াদী
চাকুরী (উদাহরণ স্বরূপ ১ বছর) খন্ডকালীন চাকুরী হিসেবে গণনা করা যেতে
পারে যদি তা আবাসনের উদ্দেশ্য (শিক্ষা) বজায় রাখে এবং এটা শিক্ষাকে
ব্যাহত অথবা শেষ না করে। চাকুরীর অনুমতির অর্থ এই নয় যে পড়াশুনা না শেষ
করেই চাকুরী আব্যাহত রাখা যাবে। ইন্টার্নশীপ কিংবা অন্যান্য স্বেচ্ছামূলক
কাজের বেলায়ও একই কথা প্রযোজ্য। যদি কেউ কাজ করতে চায় তাহলে তাকে
অবশ্যই
Arbeitsamt
(Employment Agency)
থেকে
অনুমতি নিতে হবে।
যদি কাজের ধরন সাধারণত অনুমোদিত হয় (যেমন, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা সহকারী
হিসেবে কাজ) তবে অনুমতি না নিলেও চলবে।
Arbeitsamt
(Employment Agency)
সে সব ক্ষেত্রেই কাজের অনুমতি দেয় যখন একই পদে অন্য কোন
সমমানের অগ্রাধিকারী প্রার্থী (যেমন জার্মান কিংবা অন্য কোন ইউরোপীয় দেশের)
না থাকে এবং এদের বেতন এই দেশীয় মানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হয়।
অপরাপর
চাকুরীর অনুমতিও ক্ষেত্রবিশেষ পাওয়া যেতে পারে যদি জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয়
অবলম্বনের অনিশ্চয়তা তেরী হয়, যা নিজের অথবা নিজের পরিবারের নিয়ন্ত্রণের
ঊর্ধে এবং এই অবস্থার পূর্ব পর্যন্ত পড়াশুনা সাফল্যের সাথে সম্পন্ন
করা হয়ে থাকে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই মর্মে ঘোষণা করে যে আবেদনকারী
পড়াশুনা শেষ করতে পারবে। আণ্ডোরা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইসরাইল, জাপান,
মোনাকো, নিউজিল্যান্ড, সান মারিনো এবং মার্কিন যুক্ত্ররাষ্ট্রের নাগরিগদের
ক্ষেত্রে আরো ভিন্নতা থাকতে পারে।
আমি
কি বিষয় কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন করতে পারব?
নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি জার্মানীতে পড়তে আসে, তবে তাকে অন্য কোন কারণের জন্য
আবাসন অনুমতি দেওয়া হবেনা, যদি না অন্য কোন আইনগত ভিত্তি (যেমন জার্মান কারো
সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক) থাকে। নতুন আবাসন অনুমতি তখনই কাউকে দেওয়া হবে যখন সে
নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করে আবার জার্মানীতে আসে। আবাসন অনুমতি কেবল বিষয়ের
উপর ভিত্তি করেই দেওয়া হয়। আবাসন অনুমতিতে পড়াশুনার উদ্দেশ্য ডিগ্রী কোর্সের
দ্বারা নির্ধারিত,এবং যথাযথ হলে, বিষয় দ্বারাও।
যদি কেউ বিষয় পরিবর্তন করে, তবে তা এই বুঝায় যে, তার আবাসনের অনুমতির কারণ
ইতোমধ্যে পরিবর্তিত হয়ে গেল। প্রকারান্তরে যেটা আবাসন অনুমতিকেই আপনা আপনি
বাতিল করে দিল। তবে সাধারণতঃ পড়াশুনা শুরুর ১৮ মাসের মধ্যে কেউ যদি তার
ডিগ্রী কোর্স পরিবর্তন অথবা একই ডিগ্রি কোর্সের বিষয় রদবদল করতে চায় তা
সম্ভব। কেউ যদি এর পরে পরিবর্তন করে তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত নিয়মের আওতায়
তা করতে হবে। যদি
বিশ্ববিদ্যালয় এই পরিবর্তন অনুমোদন করে,তবে বিশ্ববিদ্যালয়কে এই মর্মে
নিশ্চয়তা দিতে হবে যে, শিক্ষার্থীর কোর্স সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত ১৮ মাসের
অধিক লাগবেনা। আর, এই সমস্ত পরিবর্তন অবশ্যই আবাসন দপ্তরে নথিভুক্ত করতে হবে।
যখন এই পূর্বশর্তসমূহ প্রযোজ্য নয়, কিংবা কেঊ যদি পুনর্বার বিষয় বা কোর্স
পরিবর্তন করতে চায়, তবে তা তখনই সম্ভব, যখন পড়াশুনা ১০ বছরের মধ্য সম্পন্ন
হতে পারে।